মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ইতিহাস

ভাষা ও সংস্কৃতি : ভাষা নিয়তই পরিবর্তনশীল এবং ভাষার পরিবর্তন হয় এলাকাভিত্তিক ও দূরত্বের উপর নির্ভর করে। সে হিসেবে সিলেটিদের মুখের ভাষা প্রকৃত বাংলা ভাষা হতে বেশ খানিকটা দূরে। সিলেট ঐতিহাসিকভাবেই আলাদা ভাষা এবং আলাদা সংস্কৃতির ধারণ ও লালন করে আসছে। এখানে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের বসবাস, যার ফলে ভাষার ক্ষেত্রেও রয়েছে বৈচিত্র্য। পূর্বে সিলেট আসাম রাজ্যের অন্তর্গত থাকার ফলে সিলেটের ভাষা ও সংস্কৃতিতে আসামের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। এছাড়াও সিলেটের রয়েছে এক বৈচিত্র্যময় নিজস্ব ভাষা যা নাগরী লিপি হিসেবে পরিচিত। নাগরীর অক্ষর মাত্র ৩২টি। যুক্তবর্ণ সাধারণত ব্যবহার হয় না। মাত্র আড়াই দিনে শেখা যায়। বৃহত্তর সিলেট, কাছাড়, করিমগঞ্জ, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ প্রভৃতি এলাকায় নাগরী লিপির ও সাহিত্যের প্রসার ও সমাদর ছিল।

খনিজ সম্পদ : খনিজ সম্পদে ভরপুর সিলেট জেলা। এ জেলার আনাচে কানাচে ছড়িয়ে আছে মূল্যবান খনিজ সম্পদ।

প্রাকৃতিক গ্যাস : হরিপুর গ্যাস ক্ষেত্র, কৈলাশটিলা গ্যাস ক্ষেত্র, সিলেট গ্যাস ক্ষেত্র, সেভরন গ্যাস ক্ষেত্র। বাংলাদেশের মোট গ্যাসের উল্লেখযোগ্য অংশ সিলেটে মজুদ আছে।

অপরিশোধিত তেল : প্রাকৃতিক গ্যাসের সাথে সাথে গ্যাস কূপ থেকে খনিজ তেল আহরণ করা হয়। তেল সম্পদের মধ্যে আছে ডিজেল, পেট্রল ও অকটেন।

পাথর ও চুনাপাথর : বাংলাদেশের পাথরের চাহিদার ৯০% ই আসে সিলেট থেকে। সিলেট জেলা চুনা পাথরেও বেশ সমৃদ্ধ।

দর্শনীয় স্থান : আবহমান কাল ধরে সিলেট পর্যটকদের কাছে একটি প্রিয় নাম। সিলেটের পথে প্রান্তরে সর্বত্র ছড়িয়ে আছে প্রাচীন ঐতিহ্য। হযরত শাহ জালাল ও শাহপরান (রহ) এর স্মৃতিবিজড়িত এ পূণ্যভূমিতে দেশী বিদেশী ভক্তকুলের আগমন ঘটে। ধর্মীয় গুরুত্বের দিক থেকে সিলেট যে রকম অনন্য, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ক্ষেত্রেও তেমনি। উপমহাদেশের প্রথম চা বাগান মালনী ছাড়া পর্যটকদের কাছে আরেক বিস্ময়।

এছাড়াও সুরমা নদীর উপর কিন ব্রিজ না দেখলে সিলেট ভ্রমণ অনেকটা অপূর্ণই থেকে যায়।

 

সংগ্রহে: জুবায়ের আহমদ ।

উদ্যোক্তা: ৮ নং কান্দি গাঁও ইউ/পি তথ্য ও সেবা কেন্দ্র।

মোবা:০১৭১৬-৮৪৭৭২৫।


Share with :

Facebook Twitter